ফরিদপুর জেলা
ফতেহাবাদের টাকশাল থেকে সুফি সন্তের নামে, ফরায়েজি আন্দোলন, উপনিবেশিক ঐতিহ্য ও পদ্মার চিরন্তন স্রোতে ফরিদপুরের ইতিহাস।
জেলা পরিচিতি
ব্রিটিশ শাসনামলে ১৭৮৬ সালে (মতান্তরে ১৮১৫) প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক জনপদ । সুলতানি আমলের প্রাচীন টাকশাল শহর ‘ফতেহাবাদ’-এর অংশ ছিল এই অঞ্চল। সুফি সন্ত শাহ ফরিদউদ্দিন মাসুদের নামানুসারে জেলার নামকরণ করা হয় । বৃহত্তর ফরিদপুর একসময় বর্তমান ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা নিয়ে গঠিত ছিল ।
ঐতিহাসিকভাবে ফরিদপুর ছিল পাট ও ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত একটি উর্বর কৃষি অঞ্চল। পদ্মা, কুমার ও মধুমতী নদী এখানকার অর্থনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে ভূমিকা রেখেছে । হাজী শরীয়তুল্লাহর নেতৃত্বে ফরায়েজি আন্দোলনসহ উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র ছিল এই জেলা। পল্লীকবি জসীমউদ্দিন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের আবাসভূমি এই ফরিদপুর । ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এই জেলায় পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র সংঘর্ষ সংঘটিত হয় ।
পর্যটকদের জন্য ফরিদপুরের উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে অম্বিকাপুরে পল্লীকবির বসতবাড়ি ও জসীম মেলা, মধুখালীর ৯০ ফুট উঁচু মথুরাপুর দেউল, ফতেহাবাদ টাকশাল, রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (১৯১৮) ও পদ্মা নদীর তীর। ২০২২ সালে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ফলে জেলাটির যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ।
উপজেলাসমূহ (৯টি)
জেলা প্রশাসন
জেলা প্রশাসক (ডিসি)
মাজহারুল ইসলাম
পুলিশ সুপার (এসপি)
মোঃ নজরুল ইসলাম
সিভিল সার্জন
ডা. সাজেদা বেগম