ঢাকা জেলা
মোঘল যুগের জাহাঙ্গীরনগর থেকে আধুনিক রাজধানী, বাণিজ্য, মসলিন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ঢাকা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র।
জেলা পরিচিতি
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল যুগে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ‘ঢাকা’ নামের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে—ঢাক গাছ, উদ্বোধনে ঢাক বাজানো, ‘ঢাকাভাষা’ নামক প্রাকৃত ভাষা, বা রাজতরঙ্গিণীর ‘ঢাক্কা’ শব্দ। ১৬১০ সালে সুবাহদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। কিন্তু সাধারণ মানুষের মুখে ও বিদেশিদের বিবরণে ‘ঢাকা’ নামই টিকে যায়।
মোঘল আমলে ঢাকা প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে উন্নতি লাভ করে। এখানে উৎপাদিত উচ্চমানের মসলিন কাপড় ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো সোনা-রুপার বিনিময়ে কিনত। শাহ সুজা, মীর জুমলা ও শায়েস্তা খানসহ বিভিন্ন সুবাহদার বড় কাটরা, ছোট কাটরা, রমনা গেট, চকবাজার মসজিদ, সাতগম্বুজ মসজিদ ও বিবি পরীর সমাধিসহ অনেক স্থাপনা নির্মাণ করেন।
১৮শ শতকের শেষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থানে ঢাকার গুরুত্ব কমে গেলেও ১৮৪০-এর দশকে উন্নয়নের নতুন ধারা শুরু হয়। ১৯০৫-১১ সালে এটি পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়।
উপজেলাসমূহ (৫টি)
প্রধান দর্শনীয় স্থান
জেলা প্রশাসন
জেলা প্রশাসক (ডিসি)
মিজ্ ফরিদা খানম
পুলিশ সুপার (এসপি)
শামীমা পারভীন
সিভিল সার্জন
ডাঃ মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান