মূল অংশে যান
Find Bangladesh বাংলাদেশ খুঁজুন
গুলশান
থানা · সিটি কর্পোরেশন: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন

গুলশান থানা

গুলশান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত এলাকা, যেখানে অনেক বিদেশী দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক কোম্পানির অফিস রয়েছে।

ধরন
মেট্রোপলিটন থানা
প্রতিষ্ঠা
১৯৭২

গুলশান-এ এখনো কোনো লিস্টিং নেই

এখানকার কোনো চিকিৎসক, দোকান, সেবা বা দর্শনীয় স্থান চেনেন? প্রথম লিস্টিংটি যোগ করুন — যাচাইয়ের পর এটি সবার জন্য প্রকাশিত হবে।

গুলশান-এর পোস্ট অফিস (১)

গুলশান থানা (পুলিশ স্টেশন)

অফিসার ইনচার্জ (ওসি)

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

গুলশান থানা

ওসির মোবাইল
ইমেইল
থানার হটলাইন

থানার অঙ্গীকার

আমাদের অঙ্গীকার

  • মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
  • নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ
  • জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসকে না বলুন
  • নিরাপদ এলাকার জন্য কমিউনিটি পুলিশিং

থানার সেবা

সাধারণ সেবা — বিস্তারিত জানতে থানায় যোগাযোগ করুন। জিডি ও অভিযোগ অনলাইনেও করা যায়।

  • সাধারণ ডায়েরি (জিডি)
  • মামলা (এজাহার) দায়ের
  • হারানো কাগজপত্র ও মালামালের জিডি
  • নারী, শিশু ও বয়স্ক সহায়তা ডেস্ক
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সহায়তা
  • সাইবার অপরাধের অভিযোগ
  • ট্রাফিক ও দুর্ঘটনায় সহায়তা
  • ২৪ ঘণ্টা টহল ও জরুরি সাড়া

গুলশান পরিচিতি

গুলশান থানা ৮.৮৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, যার মধ্যে গুলশান মডেল টাউন, বারধারা কূটনৈতিক এলাকা এবং নিকেতন অন্তর্ভুক্ত। এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৮, ১৯ এবং ২০ নং ওয়ার্ডের অংশ এবং বনানী, বারধারা ও মোহাম্মদপুরের মতো এলাকাগুলোর সাথে borders রয়েছে।

পূর্বে ভোলা গ্রাম নামে পরিচিত এই এলাকাটি ছিল একটি গ্রামীণ বসতি, যা বরিশাল জেলার অভিবাসীদের আবাসস্থল ছিল। ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে এখানে পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা তৈরি করা হয়। ১৯৭২ সালের দিকে গুলশান এবং এর আশেপাশে গুলশান থানা গঠিত হয়, এবং ১৯৮২ সালে এটি ঢাকা municipalities-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

গুলশান থানার এলাকার মধ্যে গুলশান হ্রদ রয়েছে, যা বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী জলাধার হিসেবে কাজ করে। পূর্বে এক ও দুই मंजলার বাড়িঘর দেখা গেলেও, বর্তমানে এটি আধুনিক ভবন ও অবকাঠামো সমৃদ্ধ একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিণত হয়েছে।

অনেক স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির সদর দপ্তর গুলশানে অবস্থিত, যা এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র করেছে। এখানে প্রায় ৪৫টি বুটিক, বাজার ও শপিং সেন্টার রয়েছে, যা এখানকার অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

গুলশান তার উচ্চমানের রেস্তোরাঁ, পাঁচতারা হোটেল, শপিং সেন্টার এবং প্রাইভেট ক্লাবের জন্য পরিচিত। এছাড়াও, এখানে বিচারপতি শাহাবuddin আহমেদ পার্ক এবং শহীদ ডা. ফজলে Rabbi পার্কের মতো বিনোদনমূলক স্থান রয়েছে।